বরফ

একজন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের এটেন্ডেন্ট ফচকেকে ১০০ টাকা দিয়ে :-
'আর একটু বরফ আনো তো, লাস্ট পেগটা মারি'

এটেন্ডেন্ট ফচকে:- 'আর তো বরফ পাওয়া যাবে না স্যার'

প্যাসেঞ্জার:- 'কেন?'

এটেন্ডেন্ট ফচকে:- 'ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল যে'


BENGALI WHATSAPP JOKES

Biriyani song

*Biriyani song*
আমি ঋণী গো ঋণী তোমাতে,
ওগো বিরিয়ানি
তুমি থাক হাঁড়িমাঝারে
ওগো বিরিয়ানি ।
তোমায় দেখেছি হায়দ্রাবাদে
তোমায় চেখেছি বাড়ির ছাদে...
তোমায় চেখেছি ...
আরসালান, আমিনিয়াতে...
ওগো বিরিয়ানি ।
আমি বাতাসে লইয়া ঘ্রাণ
খুঁজেছি খুঁজেছি সেই দোকান
যেখানে ন্যায্য দামে
আমি খাইব অনেকখানি,
ওগো বিরিয়ানি.........
ভুবন ভ্রমিয়া শেষে
বিরিয়ানি ভালবেসে
আমি পেটের রোগেতে গিয়েছি ফেঁসে
একি পরেসানী ..
আমি ঋণী গো ঋণী তোমাতে
ওগো বিরিয়ানি।

dedicated to all biryani lovers.

মানুষ যেদিন প্রথম নেট দিয়ে মাছ ধরেছিল

মানুষ যেদিন প্রথম নেট দিয়ে মাছ ধরেছিল সেদিন মাছ গুলোও মানুষ কে অভিশাপ দিয়েছিল -" তোরাও একদিন নেটে ফাঁসবি।"

পুরস্কার তো শেষ পর্যন্ত বাবাই পাবে

👦🏻👦🏼
👨🏻
ভীষণ দুষ্টুমি করে বলে বাবা তাঁর দুই ছেলেকে ডেকে নিয়ে বললেন, ‘এখন থেকে যে মায়ের সব কথা শুনবে, সপ্তাহ শেষে তার জন্য একটা পুরস্কার থাকবে।’
তাই শুনে বড় ছেলে ছোট ভাইকে বলল, ‘এখানে দাঁড়িয়ে থেকে লাভ নেই রে, চল খেলতে যাই, সব পুরস্কার তো শেষ পর্যন্ত বাবাই পাবে!’
😛😛😜😜😝😝😂😂🤣

সকালে ঘুম থেকে উঠে

সকালে ঘুম থেকে উঠে ...

স্ত্রী: এই ওঠো, আমার জন্য Breakfast আনো।

স্বামী উঠে হন হন করে ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল...

স্ত্রী: ষাড়ের মতো কোথায় চললে?

স্বামী: উকিলের বাড়ি, আমি ডিভোর্স চাই।😣

১০ মিনিট পর স্বামী ফিরে এসে চুপচাপ ব্রেকফাস্ট বানাতে বসে গেল।

স্ত্রী: কি ব্যাপার!!!😶

স্বামী: উকিলের বাড়ি গিয়ে দেখি উকিল বাসন মাজছে।😂

অরুন আজ খুব খুশি

অরুন আজ খুব খুশি। আর হবে না ই বা কেন!! ছেলে সাউথ সিটি তে ফ্ল্যাট কিনেছে। ভাবা যায়!! ১১ তলায় ফ্ল্যাট, সেখান থেকে পুরো শহরটাই যেন দেখা যাই ব্যালকনি তে দাড়িয়ে। কি সুন্দর ভাবে সাজানো ড্রয়িং রুমটা, এত ফার্নিচারের বহর, আর শোবার ঘর থেকে কিচেন সবেতে এ.সি। অরুনের চোখে খুশির সাথে গর্ব। কখন যে এত বড় হয়ে গেল অর ছোট্ট শুভো!! ওর সারাটা জীবন তো বাস এ ধাক্কা খেয়ে , উত্তরপাড়ার ছোট ছোট গলিতে ঘোরাফেরা করে আর টু বেডরুম এর ছোট ফ্ল্যাট এ ই কেটে গেছে , কখনো ভাবেনি যে একটা দিন ও এই কলকাতা শহরের দেড় কোটির ফ্ল্যাট চোখেও দেখবে!! না , লোভ হচ্ছে না, সেটা ওর কখনই ছিল না, আনন্দ হচ্ছে, ছেলের জন্য , ছেলের এত সুন্দর একটা জীবনের জন্য।

"তাহলে আমরা কবে এখানে শিফট করছি শুভো?? "

"আমরা !! বাবা শুধু আমি শিফট করছি। আসলে ত্রিশা আর আমি বিয়ের পর একটু পারসনাল টাইম চাই, তাই তো এই ফ্ল্যাট টা কিনলাম। আর উইক এন্ডস এ তো দেখা হবেই !! আর তুমি এই বয়সে তোমার পুরনো জায়গা ছাড়বে না কি !! "

চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে উঠলো অরুনের, জলে। নিজেকে খুব বোকা লাগছিল, কেন ভাবলো যে ওই ফ্ল্যাটটা তে ওরা একসাথে থাকবে!! ৩০ বছর ছেলের সাথে কাটিয়েছে বলে আরো জীবনের বাকি কয়েকটা বছর ও যে ছেলে ওদের সাথে কাটাবে এর কি মানে আছে?? এটা ভাবাই হয়ত ভুল !! মনে মনে লজ্জায়, মরমে মরে যাচ্ছিল অরুন!! হঠাৎ একটা ঘটনা মনে পরে গেল, ছেলের পাঁচ বছরের জন্মদিনটা বড় করে করবার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ব্যাবসাটা সেই মাসে ভালো চলেনি, তাই নিজের ক্যাসিওটা(সিনথেসাইজার) কে বিক্রি করে দিয়েছিল। আজ ওই ক্যাসিওটার কথা খুব মনে পড়ছিল, কানে বাজছিল যেন টুংটাং সুর গুলো।

হঠাৎ পাশ থেকে এসে দুটো নরম হাত ওর গলাটা কে আঁকড়ে ধরল। এই দুটো হাতই ওকে ৩৫ টা বছর ধরে সামলেছে। খুব অদ্ভুত লাগলো অরুনের , সুজাতার চোখে তো জল নেই, এত বড় একটা খবর শুনেও !! "তোমার খারাপ লাগছে না ??"

"না তো, আমি তো জানতাম এটা হবে। আসলে মা রা ছেলেদের বেশি চেনে। শুভো তোমার মতন না, প্রথম থেকেই। খুব হিসেবী ও, যাই হোক ৩৫ বছর একসাথে কাটিয়েছি আমরা, বাকি দিন গুলোও কাটিয়ে দেব। তবে এবার একটু অন্য রকম ভাবে বাঁচব, শুধু দুজনে... দুজনের জন্যে”..

অরুনের মুখে হাসি.. হঠাৎ মনে হলো এই টু বেডরুমস ফ্ল্যাট ,উত্তরপাড়ার সরু গলি গুলো, আর এই মিষ্টি মুখের একজন শুধু ওর..একান্তই ওর!! এই গুলো ওর কাছ থেকে কেউ কখনো কেড়ে নিতে পারবে না........

হ্যাঁ , তিন বছর পরে শুভো ফিরেছিল। ত্রিশার সাথে ওর সম্পর্কটা টেকেনি, ডিভোর্স এর দরজায় ওরা, আর ত্রিশা এলিমনি তে সাউথ সিটির ফ্ল্যাট টাই চেয়েছে। বিধ্বস্ত চেহারায় সেই রাতে ফিরেছিল শুভো, মা বাবার কাছে, নিজের বাড়িতে, নিজের লোকের কাছে। পরের দিন সকালে কফি নিয়ে সুজাতা ওর কাছে গিয়েছিল যখন, মাকে জড়িয়ে ধরেছিল শুভো, হয়ত একটা আশ্রয় খুঁজছিল ও !! সুজাতা ছেলের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল, " ধীরে ধীরে নিজের জন্যে একটা ফ্ল্যাট খুঁজে নিস। আসলে তোর সাথে থাকার অভ্যেস টা আমাদের কেমন চলে গেছে , আর এই বয়সে নতুন করে অভ্যেস তৈরি করতেও আমাদের ইচ্ছে করছে না। শনি রবিবার আসিস, দেখা হবে !! " শুভর সেইদিন এক মুহুর্তের জন্য একটা ধাক্কা লেগেছিল, তারপর মনে হয়েছিল মা বাবা ওর মতন হিসেব করতে কবে শিখল !!

Hats of to this parent....

স্কুলে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করল

স্কুলে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলঃ-- *গ্রামে আর শহরে তফাত কি ?*
একটা ছেলে উত্তর দিলঃ-- *" তফাত এটাই যে, গ্রামে কুকুর পথেঘাটে ঘুরে বেড়ায় আর গোমাতা কে পালন করা হয় ... আর শহরে কুকুর পালন করা হয়, গোমাতা যত্রতত্র ঘুরে বেড়ায় ......."* *" আমাদের গ্রামে অশিক্ষিত লোক গরু চরায় , শহরে শিক্ষিত লোক কুকুর নিয়ে ঘোরে !* *জীবনের কটু সত্য* ... ... ... *" অনাথ আশ্রমে গরীবের বাচ্চা পাওয়া যায় "* ... আর ... *" বৃদ্ধাশ্রমে ধনীদের বৃদ্ধ পাওয়া যায় "* ... !!! সময়ের সাথে সাথে সব কেমন যেন বদলে যায় , আগেকার দিনে যেটাকে *" কাঁচকলা বলতো , আজ ওটাকেই 👍 Like বলে !!! "*

এক রাজার দশটি পোষা হিংস্র কুকুর ছিল

এক রাজার দশটি পোষা হিংস্র কুকুর ছিল l কোন মন্ত্রীর কাজে অসন্তুষ্ট হলে রাজা সেই মন্ত্রীকে ওই দশটি কুকুরের মধ্যে ছেড়ে দিতেন l কুকুরদের আঁচড় কামড়ে মন্ত্রীর প্রান যেত l
একদিন এক প্রবীণ মন্ত্রীর উপদেশ রাজার মনঃপূত না হওয়ায় তিনি ওই মন্ত্রীকে কুকুরদের মধ্যে ছেড়ে দিতে আদেশ দিলেন l
মন্ত্রী অনেক কাকুতি মিনতি করলেন - কিন্তু রাজার মন নরম হল না l
মন্ত্রী বললেন - রাজামশাই, আমি গত দশ বছর ধরে আপনার সেবা করছি, আজ আমার একটা স্বিদ্ধান্ত আপনার পছন্দ হল না বলে আমায় এই কঠোর শাস্তি দিলেন !! দয়া করে আমায় এই শাস্তি দেবেন না l
কিন্তু রাজা তার স্বিদ্ধান্তে অটল রইলেন l নিরুপায় হয়ে মন্ত্রী বললেন, মহারাজ আপনি আমায় মাত্র দশ দিন সময় দিন l তার পর আপনি আমায় যা শাস্তি দেবেন আমি মাথা পেতে নেব l
রাজা তাতে সম্মতি দিলেনl
মন্ত্রী তৎক্ষনাত কুকুর পালক এর কাছে গিয়ে তাকে দশ দিনের ছুটি দিলেন এবং এই দশ দিন নিজের হাতে কুকুরদের যত্ন করলেন - তাদের স্নান করালেন, খাওয়ালেন, তাদের সঙ্গেই খেলাধুলা করলেন l
দশ দিন পর মন্ত্রী রাজসভায় প্রবেশ করা মাত্র রাজার আদেশে তাকে কুকুরদের মধ্যে নিক্ষেপ করা হল l কিন্তু রাজা আশ্চর্য হয়ে দেখলেন কুকুরগুলো মন্ত্রীকে আক্রমণ করার বদলে তার পা চেটে দিচ্ছে, লেজ নেড়ে আদর খাচ্ছে, পায়ের কাছে গড়াগড়ি খাচ্ছে l
রাজা মন্ত্রীকে ডেকে অবাক চোখে এর কারণ জানতে চাইলেন l মন্ত্রী বললেন - মহারাজ আমি মাত্র দশদিন এই কুকুরদের সেবা করেছি l তারা আমাকে মনে রেখেছে l আর আমি আপনাকে দশ বছর ধরে সেবা করেছি কিন্তু আমার একটা ভুলে আপনি সেই সেবা ভুলে গেলেন !!
একথা শুনে রাজা তার ভুল বুঝতে পারলেন।
...........
এবং
...........

...........
...........
...........
কুকুরদের জায়গায় দশটি কুমীর রেখে দিলেন l
😳😳😳😳😳
মরাল অফ দি স্টোরি :
ম্যনেজমেন্ট যদি মনে করে তোমায় বাঁশ দেবে, তো দেবেই ।

হাসতে হলে পড়তে হবে....

হাসতে হলে পড়তে হবে....
🌺🌼💐🐚🌝🌙🌎🏹💎
বাবা🙍🏻‍♂: দোকান থেকে কী ম্যাচের কাঠি
আনলি ? একটাও জ্বলছে না।
ছেলে👦🏻 : বাবা আমি তো সব গুলোই চেক করে আনলাম। তখন তো সব জ্বলছিলো😜😜😜
,,
,,
,,
পল্টু 👱🏻: কী রে আজ না তোর বিয়ে🎷 ?
বল্টু💁🏻‍♂ : না আমার বিয়ে🎷 ভেঙে গেছে।
পল্টু 👱🏻:কেন রে ?
বল্টু 💁🏻‍♂:মশা মেরেছিলাম।
পল্টু👱🏻 : মশা মারলে কি বিয়ে🎷ভেঙে যায়!
পল্টু 💁🏻‍♂: মশাটা বসে ছিলো....,,,, শশুড়ের👴🏻 গালে।
😳😳😳
,,
,,
,,
নন্টে👳🏻 : কি রে তোর বুক পকেটে👔 নতুন ফোন📱, কবে কিনলি ?
ফন্টে👳🏽 : এটা আমার ফোন📱 না,আমার গার্লফ্রেন্ডের👩🏻 ফোন।
নন্টে👳🏻 : গার্লফ্রেন্ডের ফোন 👩🏻তোর পকেটে👔 এলো কি করে ?
ফন্টে👳🏽 :গার্লফ্রেন্ড👩🏻 বার বার বলছিলো, ফোন📱 তোলো না কেনো......আজ সুযোগ পেয়েছি তুলে নিয়ে চলে এসেছি । 😂😂😂
শিক্ষক👨🏻 : এমন একটা জায়গার নাম বলো যেটা পুরুষরা বানিয়েছে অথচ পুরুষদের ঢোকা নিষেধ 🚯?
,,
,,
,,
ছাত্র🙋🏻‍♂ :লেডিস টয়লেট 🚽
স্যার।😝😝😝
,,
,,
,,
শিক্ষক👵🏼 : কি রে মন্টু🙇🏻 কাল স্কুলে🏛 আসিস নি কেনো ?
মন্টু🙇🏻 : বার্ডফ্লু হয়েছিল।
শিক্ষক👵🏼 : বার্ডফ্লু তো
মুরগীর🐓 হয় ?
মন্টু 🙇🏻(রেগে গিয়ে😳): কোনো দিন মানুষ👤 মনে করেছেন আমাকে?
রোজ রোজ তো মুরগী🐓 বানিয়ে নিল ডাউন করে রাখেন।
শিক্ষক👵🏼: বেহুশ🙄
😂😆😜😝🤓😅😄😃😂

একবার এক ভদ্রলোক লোকাল ট্রেনে চেপে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছেন

একবার এক ভদ্রলোক লোকাল ট্রেনে চেপে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছেন। ঘন্টা তিনেকের রাস্তা বলে সাথে নিয়ে আসা একটি বই খুলে বসেছেন। অল্প সময় পরেই...